Debabrata Biswas Dure Jabo Jabe Sorce Takhan Chinibe Moree

(0 Reviews)
15% Discount
Publisher:
Dey’s Publishing

ISBN:
978-81-295-2178-1

Author:
Debabrata Biswas

Publishing Year:
2014

Book Page:
440Pages
Binding:
Hard cover

Price:
₹500.00
Discount Price:
₹425.00

Quantity:
(10 Available)

Total Price:

*Inclusive of all taxes


Share:
Sold By
Dey's Publishing
(0 Customer reviews)
ভারতীয় শান্তি কমিটির উদ্যোগে ১৯৫৩ সনে একটি ভারতীয় সাংসৃকতিক প্রতিনিধি দলকে পরলোকগত নাট্যকার শচীন সেনগুপ্তের নেতৃত্বে চীনদেশে পাঠানো হয়েছিল৷ সেই দলে আমাকেও ভিড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ লাল চীনের মাটিতে পৌঁছেছিলাম ১৯৫৩ সনের ১৬ই জুলাই তারিখে--- সেই গানের ২৭শে অগাস্ট চীন দেশ থেকে বিদায় নিয়ে ফিরে এসেছিলাম৷ দেশে ফিরে আসবার পর আমার কয়েকজন বামপন্থী হিতৈষী বন্ধু আমার চীনদেশের ভ্রমণ বৃত্তান্ত আমায় দিয়ে লিখিয়ে ছাপিয়ে প্রকাশ করবার জন্য অত্যন্ত উৎসাহিত হয়ে উঠলেন--- কিন্তু আমার মন তাতে সায় দিল না ; কারণ, করতাম তো একটা বীমা অফিসের কেরাণীগিরি--- সাহিত্যচর্চা করার সুযোগও কখনও পাইনি৷ কোনো বিষয়েই কিছু লিখবার মতো বিদ্যে আমার একেবারেই ছিল না৷ কিন্তু বন্ধুরা নাছোড়বান্দা--- তাঁরা আমায় বোঝালেন যে তখনকার দিনের স্বাধীনতা পত্রিকার সাধারণ পাঠকদের প্রতি কর্তব্য হিসাবে চীনদেশে আমার অভিজ্ঞতার কথা লিখে জানিয়ে দেওয়া উচিত৷ অগত্যা আমার অপটু কলম দিয়ে আবেগের ভাষায় ওদেশে যা দেখেছিলাম তা লিখে লিখে ফেললাম এবং আমার সেই হিতৈষী বন্ধুরা কয়েক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে সেই লেখাগুলি স্বাধীনতা পত্রিকায় প্রকাশ করে দিয়েছিলেন৷ সেই সময়ে কোনো একটি সভাতে হঠাৎ পরলোকগত সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল৷ আমায় দেখেই তিনি হাসিমুখে সকৌতুকে জিজ্ঞেস করলেন---‘হারমোনিয়াম ছেড়ে হঠাৎ কলম ধরবার সখ হল কেন?’ কথাটি শুনে সত্যি খুব লজ্জিত হয়ে পড়েছিলাম৷ বললাম--- ‘আপনার ভক্তদের পাল্লায় পড়েই এই ভুলটি করে ফেলেছি’ এবং তৎক্ষণাৎ ভীড়ের মধ্যে লুকিয়ে পড়লাম৷ কয়েকদিন পর আমার বন্ধুগণ আমার সেই খাপছাড়া লেখাগুলি বই-এর আকারে প্রকাশ করবার পরামর্শ দিতে শুরু করলেন--- কিন্তু আমি কিছুতেই রাজী হইনি--- কারণ মানিকবাবুর সেই কথাগুলি মনে পড়ে যেতো৷ ১৯৫৩ সনে স্বাধীনতা পত্রিকায় প্রকাশিত সেই লেখাগুলি কেটে একটি খাতায় আঠা দিয়ে সেঁটে সযত্নে রেখে দিয়েছিলাম৷ দুই বৎসর পরে---অর্থাৎ ১৯৫৫ সনে ভারত সরকার একটি সাংসৃকতিক প্রতিনিধিদলকে চীনদেশে পাঠিয়ে ছিলেন--- সেই দলে আমিও ছিলাম৷ সেবারে প্রায় আড়াই মাস চীনদেশে নানা জায়গায় গিয়েছি৷ নতুন নতুন অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট হয়েছিল এবং দুই বৎসরের মধ্যে ওদেশের সব ববস্থার অগ্রগতি দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম৷ কিন্তু সেবারে ফিরে এসে কিছু লিখতে সাহস পাইনি---কারণ আমি তো লেখক নই৷ তারপর বহু বৎসর কেটে গেল--- ১৯৭৭ সন শেষ হ’য়ে গিয়েছে--- আর কয়েক মাস বাদে আমার বয়েসও সাতষট্টি পেরিয়ে যাবে৷ একে তো বার্দ্ধক্য এবং শ্বাসরোগ, তার ওপর নানা ধরনের ব্যারামে ভুগে ভুগে আমার শরীর একেবারেই অকর্মণ্য হয়ে পড়েছে৷ আমার ছোট্ট ঘরটিতে বসে বসেই মাঝে মাঝে খবর পাই কিছু সৎলোক অত্যন্ত নিস্বার্থভাবে দেশের দরিদ্র এবং অনাথ ছেলেমেয়েদের কল্যাণের জন্য নানা ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ কিন্তু তাঁদের কাছে অর্থের সমস্যাটিই প্রধান সমস্যা৷ অনেকেই গানের অনুষ্ঠান করে কিছু অর্থ সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নিয়ে সেই সব অনুষ্ঠানে গান করার জন্য আমায় অনুরোধ জানিয়েছেন কিন্তু আমার স্বাস্থ্যের জন্য আমি তাঁদের সাহায্য করতে পারিনি৷ সেইজন্য খুব মানসিক অশান্তিতেও ভুগেছি৷ একটি প্রসঙ্গের উল্লেখ করা প্রয়োজন বোধ করছি৷ শ্রীখালেদ চৌধুরী নামধারী একজন অত্যন্ত বিনয়ী এবং ভদ্র যুবকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল ভারতীয় গণনাট্য সংঘের সূত্রপাতের সময় এবং কালক্রমে তিনি আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন হয়ে ওঠেন৷ তাঁকে অবশ্য আমি জানতাম চিত্রশিল্পী এবং মঞ্চসজ্জা শিল্পী হিসাবেই৷ তিনি প্রায়ই আমার খোঁজখবর করতেন এবং এখনও করেন৷ কয়েক বৎসর আগে তাঁর সঙ্গে কথাবার্তার সময় নানা ধরনের ভারতীয় লোকসঙ্গীত, এমনকি বিদেশী সঙ্গীত-রচয়িতাদের সম্বন্ধে তাঁর অসামান্য জ্ঞানের পরিচয় পেয়ে তাজ্জব বনে গিয়েছিলাম৷ যদিও খালেদ বয়েসে আমার চাইতে বেশ ছোট তবুও সেদিন থেকে তাঁকে মনে মনে আমার ওস্তাদ ব’লে মেনে নিয়েছিলাম৷ তারপর থেকেই অনেক ব্যাপারে আমি খালেদের পরামর্শ চেয়ে থাকি৷ দুয়েক মাস আগে খালেদকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার সেই স্বাধীনতায় প্রকাশিত পুরানো লেখাগুলি বই-এর আকারে প্রকাশ করা যায় কি-না৷ এবং যদি তা সম্ভব হয় সেই বই বাজারে চলবে কি না৷ যদি এই ধরনের একটি বন্দোবস্ত করা সম্ভবপর হয় তাহলে বইটির বিক্রয়লব্ধ অর্থের আমার প্রাপ্য অংশের পুরোটাই দরিদ্র ও অনাথ বালক-বালিকাদের কল্যাণকর কাজে ব্রতী এমন কোনো সৎ-প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে দেওয়া হলে আমি খুব মানসিক শান্তি পাবো এবং খুশীও হবো৷ আমার কথা শুনে খালেদ খাতাটি নেড়ে চেড়ে দেখে নিয়ে গেলেন এবং বললেন যে কিছু করা যায় কিনা দেখবেন৷ কয়েকদিন পর খালেদ আমায় খবর দিয়ে গেলেন যে কথাশিল্প নামক একটি প্রকাশন সংস্থা আমার ঐ লেখাগুলো বই-এর আকারে প্রকাশ করতে রাজী হয়েছেন৷ বই-এর নামকরণ এবং অন্যান্য সাজসজ্জার ব্যবস্থা খালেদ সব নিজেই করে দিয়েছেন৷ তাঁকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই৷ কথাশিল্পে-র শ্রীবনী রায় যে আমার মতো অ-লেখকের লেখা ছাপিয়ে বইটি প্রকাশ করেছেন সেজন্য তাঁকেও আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই৷ চীনদেশের যেসব কর্মীরা আমার সঙ্গে সহযোগিতা করেছিলেন এবং যে সব শিল্পী ও সাহিত্যিকদের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল, আমার প্রতি তাঁদের আন্তরিক ও অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা আমি কখনো ভুলতে পারবো না৷ পরিশেষে যাঁরা এই বইটি কিনবেন তাঁদেরকেও আমার অন্তরের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই৷ সূচিপত্র দেবব্রত বিশ্বাস৷ দূরে যাব যবে স’রে৷ তখন চিনিবে মোরে     আমাদের নিবেদন---তুষার তালুকদার          কয়েকটি প্রাসঙ্গিক কথা---অজয় গুপ্ত          অন্তরঙ্গ চীন অন্তরঙ্গ চীন---দেবব্রত বিশ্বাস          দেবব্রত ও পত্রাবলী          দেবব্রত ও পত্রাবলী---অপরূপ চৌধুরী প্রাপক : শিবাজী পাল/গোলাম মুরশিদ/অর্চনা বসু   আমি হেথায় থাকি শুধু গাইতে তোমার গান   আমার কথা---দেবব্রত বিশ্বাস গাওয়া, না-গাওয়া---দেবব্রত বিশ্বাস অনুলিখন : দেবেশ রায় প্রশ্ণ জানাই ‘বারোমাস’-এ---দেবব্রত বিশ্বাস আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল দেবব্রত বিশ্বাস : হেমাঙ্গ বিশ্বাসের সঙ্গে সাক্ষাৎকার একটি অসাক্ষাৎকার---জ্যোতির্ময় দত্ত অগ্ণিবীণা বাজাও তুমি গণনাট্য সংঘ ও জর্জদা---খালেদ চৌধুরী জর্জদা---অর্ঘ্য সেন-এর সঙ্গে কথাবার্তায় প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায় আমার বিচার করো তুমি, তপ আপন করে মতাদর্শে প্রত্যয়ী দেবব্রত---প্রবুদ্ধকুমার ঘোষ তোমার কথা হেথা কেহতো বলে না... দেবব্রতর কোন গান তো বিশ্বভারতী মিউজিক বোর্ড খারিজ করেনি---সুকান্ত দত্ত মরণ হতে যেন জাগি গানের সুরে আর্যপ্রয়োগের অধিকার---অশোক মিত্র ‘স্রষ্টা এবং শিল্পী’---সুধীর চক্রবর্তী জন্মশতবর্ষে ব্রাত্যজনের শুদ্ধ সংগীত---প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায় Artist এবংArtiste---ধ্রুপ গুপ্ত সুরের গুরু---অমিয় ব্যানার্জি একটি গানের পুনর্জন্ম---তুষার তালুকদার দেবব্রত জীবনশিল্পী---স্বপন সোম আমি আর গাইবার পারলাম না---শঙ্করলাল ভট্টাচার্য মঞ্জুশ্রী আরGeo Bis---ড. ঐশিকা চক্রবর্তী দেবতাদের কথাবার্তা/দেবব্রত ঋত্বিক---সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় দেবব্রত বিশ্বাস পরিক্রমা---ডা সমীর গুপ্ত তোমার গীতি জাগাল স্মৃতি দেবব্রত বিশ্বাস : আধুনিকতা ও শিল্পীর স্বাধীনতা---গোলাম মুরশিদ তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার---সত্যজিৎ চৌধুরী দেবব্রত বিশ্বাসের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত---যোগেন চৌধুরী জর্জের রবীন্দ্রনাথ, জর্জের ভুবন---ডা সঞ্জয় ঘোষ ভরা থাক স্মৃতিসুধায় দেবব্রত বিশ্বাস ও প্রমথনাথ বিশী---চিরশ্রী বিশী চক্রবর্তী জর্জদা : সশ্রদ্ধ স্মরণ---সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দেবব্রত বিশ্বাস---টুকরো স্মৃতি---মহাশ্বেতা দেবী জর্জদা---পবিত্র সরকার আমি জর্জদার বুলুদি বলছি---হামিদা হক আমার বাবার জর্জদা---আলিয়া শরাফী দে.বি.-বন্দনা---অমিতাভ চৌধুরী জর্জদা কিছু স্মৃতি---নীলাদ্রি চাকী সেই মানুষটা ছিল গালিভার---নবারুণ ভট্টাচার্য আমাদের অবিস্মরণীয় জর্জদা---পদ্মিনী দাশগুপ্ত (ঘোষ) জর্জদা---বিভা সেনগুপ্ত জর্জমামা---পূরবী মুখোপাধ্যায় সবার প্রিয় জর্জদা---শ্রীলা সেন অবাক বিস্ময়ে---জয়শ্রী দাশগুপ্ত সুরের বাঁধনে---স্বপন গুপ্ত শতবর্ষে জর্জদা---বরুণকান্তি চট্টোপাধ্যায় জর্জকাকা স্মরণে---কিছু স্মৃতি, কিছউ ঘটনা---অধীপ চৌধুরী যিনি অফুরান---তরুণ চক্রবর্তী আমার সংগীত-দেবতা আমার জর্জদা---শিবাজী পাল জর্জীয় রবীন্দ্রস্মরণ---ড: দেবব্রত মুখোপাধ্যায় তোমাদের দান যশের ডালায় দেবব্রত বিশ্বাস সংবর্ধনা---(১৯৮০ রবীন্দ্রসদন) ‘কিংশুক’ আয়োজিত বইব গানের ডালা গান আমার... জয়ন্তানুজ ঘোষ রেকর্ড, সিডি, ক্যাসেট, এলপি ও চলচ্চিত্রে গীত গানের সম্পূর্ণ তালিকা গানের ঝর্নাতলায়---জয়ন্তানুজ ঘোষ৷ বর্র্ণানুক্রমিক গানের সম্পূর্ণ তালিকা জগতে আনন্দযজ্ঞে দেবব্রত বিশ্বাস : সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি৷ সংকলক : জয়ন্তানুজ ঘোষ
There have been no reviews for this product yet.